পাবনার ঈশ্বরদীতে ১২ বছর বয়সী এক প্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে এসকেন প্রামাণিক (৬৫) নামে এক প্রতিবেশী বৃদ্ধের বিরুদ্ধে।
বুধবার (১৯ আগস্ট) সকাল ৯টার দিকে উপজেলার মুলাডুলি ইউনিয়নের বেতবাড়িয়া মধ্যপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
পরে বিকেলে ঈশ্বরদী থানায় মামলা করেছে প্রতিবন্ধী কিশোরীর পরিবার।
ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত এসকেন প্রামাণিক পলাতক রয়েছেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ওই কিশোরী প্রতিবন্ধী হওয়ায় পরিবারের লোকজন তাকে বাড়িতে থেকে বের হতে দিতেন না। তার কাছে একটি মোবাইল দিয়ে রাখা হতো যেন সে বাইরে কোথাও না যায়। তবে ঘটনার দিন ওই কিশোরীর মোবাইলের ইন্টারনেট ডেটা ফুরিয়ে গেলে সে পরিবারের অগোচরে বাইরে চলে যায়। এই সুযোগে এসকেন প্রামাণিক ওই কিশোরীকে একটি নির্মাণাধীন ভবনে নিয়ে ধর্ষণ করেন। পরে স্থানীয়রা তাদের বিবস্ত্র অবস্থায় দেখে ফেললে এক পর্যায়ে অভিযুক্ত এসকেন প্রামাণিক ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান।
ভুক্তভোগীর বাবা বলেন, আমার মেয়ে বাক ও শ্রবণ প্রতিবন্ধী, সে কথা বলতে পারে না। আমরা তাকে দেখে শুনে রাখি যেন বাড়ির বাইরে যেতে না পারে। তবে সবসময় নজরদারিতে রাখা সম্ভব হয় না। সে ছোট মানুষ তাই বাড়ি থেকে বের হয়ে মাঝেমধ্যে এলাকায় ঘুরাঘুরি করে বাড়ি ফিরে আসে। তাকে একটি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল কিনে দেওয়া হয়েছে- এতে সে যেন মোবাইল দেখে সময় কাটায় আর বাইরে কম যায়। তবে বাড়ির ওয়াইফাইয়ের বিল সময় মতো না দেওয়ায় ইন্টারনেট বন্ধ হয়ে যাওয়ায় সকালে আমার মেয়ে বাড়ি থেকে বের হয়ে যায়। পরে লোকজনের ডাকাডাকিতে ঘটনাস্থলে গিয়ে স্থানীয়দের মুখে সবকিছু জানতে পারি। ঘটনার পর এসকেন প্রামাণিক পালিয়ে গেছে। পরে আমরা থানায় গিয়ে তার বিরুদ্ধে মামলা করেছি।
ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশাদুর রহমান জানান, ভুক্তভোগী কিশোরীর মা বাদী হয়ে লিখিত অভিযোগ করেছেন। এ ঘটনায় থানায় একটি ধর্ষণ মামলা রেকর্ড হয়েছে। ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত এসকেন প্রামাণিক পলাতক রয়েছে। তাকে গ্রেপ্তারে পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
বুধবার (১৯ আগস্ট) সকাল ৯টার দিকে উপজেলার মুলাডুলি ইউনিয়নের বেতবাড়িয়া মধ্যপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
পরে বিকেলে ঈশ্বরদী থানায় মামলা করেছে প্রতিবন্ধী কিশোরীর পরিবার।
ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত এসকেন প্রামাণিক পলাতক রয়েছেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ওই কিশোরী প্রতিবন্ধী হওয়ায় পরিবারের লোকজন তাকে বাড়িতে থেকে বের হতে দিতেন না। তার কাছে একটি মোবাইল দিয়ে রাখা হতো যেন সে বাইরে কোথাও না যায়। তবে ঘটনার দিন ওই কিশোরীর মোবাইলের ইন্টারনেট ডেটা ফুরিয়ে গেলে সে পরিবারের অগোচরে বাইরে চলে যায়। এই সুযোগে এসকেন প্রামাণিক ওই কিশোরীকে একটি নির্মাণাধীন ভবনে নিয়ে ধর্ষণ করেন। পরে স্থানীয়রা তাদের বিবস্ত্র অবস্থায় দেখে ফেললে এক পর্যায়ে অভিযুক্ত এসকেন প্রামাণিক ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান।
ভুক্তভোগীর বাবা বলেন, আমার মেয়ে বাক ও শ্রবণ প্রতিবন্ধী, সে কথা বলতে পারে না। আমরা তাকে দেখে শুনে রাখি যেন বাড়ির বাইরে যেতে না পারে। তবে সবসময় নজরদারিতে রাখা সম্ভব হয় না। সে ছোট মানুষ তাই বাড়ি থেকে বের হয়ে মাঝেমধ্যে এলাকায় ঘুরাঘুরি করে বাড়ি ফিরে আসে। তাকে একটি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল কিনে দেওয়া হয়েছে- এতে সে যেন মোবাইল দেখে সময় কাটায় আর বাইরে কম যায়। তবে বাড়ির ওয়াইফাইয়ের বিল সময় মতো না দেওয়ায় ইন্টারনেট বন্ধ হয়ে যাওয়ায় সকালে আমার মেয়ে বাড়ি থেকে বের হয়ে যায়। পরে লোকজনের ডাকাডাকিতে ঘটনাস্থলে গিয়ে স্থানীয়দের মুখে সবকিছু জানতে পারি। ঘটনার পর এসকেন প্রামাণিক পালিয়ে গেছে। পরে আমরা থানায় গিয়ে তার বিরুদ্ধে মামলা করেছি।
ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশাদুর রহমান জানান, ভুক্তভোগী কিশোরীর মা বাদী হয়ে লিখিত অভিযোগ করেছেন। এ ঘটনায় থানায় একটি ধর্ষণ মামলা রেকর্ড হয়েছে। ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত এসকেন প্রামাণিক পলাতক রয়েছে। তাকে গ্রেপ্তারে পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
অনলাইন ডেস্ক